এর আগে ঢাকার সংসদ ভবন চত্ত্বরে ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দুই দফা নামাজের পর বিএনপির সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় এই জানাযায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিএনপি'র মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান,
সালাহউদ্দীন কাদের চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-নোমান, জেড এ খানসহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী
বিএনপির সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া আর নেই।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও এমকে আনোয়ার, ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাসদ নেতা আ স ম আব্দুর রব, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন ।
মঙ্গলবার রাত ১২ টা ২ মিনিটে স্কয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। ১৯৪৩ সালের ৩ জানুয়ারি নরসিংদীর শিবপুরে প্রবীন এই রাজনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কয়ার হাসপাতালে ছুটে আসেন তার সহকর্মী রাজনীতিক, শুভাকাক্সক্ষী ও সমর্থকরা। তার নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীরাও স্কয়ার হাসপাতালে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৃত্যুর সময় হাসপাতালে তার ছোট ছেলে, পুত্রবধূ ও নিকট আত্মীয়দের পাশে ছিলেন ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্ষীয়ান নেতা অবদুল মান্নান ভূঁইয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গত কয়েকদিন ধরে স্কয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছিল।
মান্নান ভূঁইয়ার ওই চিকিৎসক আরো জানান, ভূঁইয়ার অক্সিজেন গ্রহণ করার ক্ষমতা অনেক কমে যায়। গত দুই দিন কৃত্রিম যন্ত্রের মাধ্যমে ৮০ ভাগ অক্স্রিজেন দেওয়া যাচ্ছিল।তবে আজ শুক্রবার সেই হার বেড়ে শতভাগ অক্সিজেন তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
গত কয়েকদিন আগে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত ভূঁইয়ার অবস্থা পর্যালোচনা করতে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।
গত ৭ জুলাই দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি ৩১ মে থেকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। গত জানুয়ারি থেকে কয়েকবার তিনি এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
রেডটাইমস বিডি ডটকম/প্রতিনিধি/ওও/এসডি