মো: মাইনুল হাসান জনি
রেডটাইমস বিডি ডটকমের প্রতিবেদক
রাজশাহী, ২৫ ডিসেম্বর, রেডটাইমসবিডি ডটকম
তখন রাত ১০টা। মঞ্চের সামনে হাজার হাজার দর্শক। টিভির পর্দার সামনে বসে ৬ উপমহাদেশরে কয়েক কোটি দর্শক। প্রতিযোগীরা সারিবদ্ধভাবে মঞ্চের উপর দাঁড়ানো।
হাস্যেজ্জ্বল তাদের মুখ। বুকে অস্থিরতা। সবার একটায় ভাবনা, কে হচ্ছে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ ২০০৯ এর বিজয়ী।
উপস্থাপিকা ফারজানা ব্রাউনিয়া দ্বিতীয় রানার্স আপ ঘোষণা করলেন রাজশাহীর নদীরাজকে।
গোটা স্টেডিয়াম ফেটে পড়লো আনন্দ উল্লাসে। এরপর প্রথম রানারআপ ঘোষণা করা হলো চৈতীকে। সর্বশেষে ঘোষণা করা হলো চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ-০৯ এর মুকুট বিজয়ী কোনাল-এর নাম।
চ্যানেল আই সেরাকন্ঠের মুকুটটি পরলেন ঢাকার মেয়ে কোনাল।সঙ্গে সঙ্গে তার বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাস।আর ক্যামেরাম্যানদের অবিরাম তাকে ক্যামেরাবন্দি করা।এভাবেই এক অভিনব দৃশ্য দর্শকরা উপভোগ করেছে।
যেভাবে মহাউৎসব শুরু
ব্যাপক উৎসহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে বহুল কাক্সিক্ষত চ্যানেল আই সেরাকন্ঠ ২০০৯ মহা উৎসব।
বর্ণিল এ অনুষ্ঠানে স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। লোকে লোকারণ্য স্টেডিয়াম জনসুমদ্রে রূপ নেয়।
চ্যাানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের স্বাগত বক্তব্যের এবং রং-বেরংঙ্গের আতশবাজীর মধ্যে দিয়ে শুরু হয় মেগা এই অনুষ্ঠান।
এর পর প্রতিযোগীদের একটি প্রজাপতি মডেলের গাড়ীতে করে মঞ্চে নেয়া হয়। এসময় দর্শকরা তাদের প্রিয় প্রতিযোগীদের দেখে আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়েন।
প্রতিযোগীরা তাদের দুই বিচারক সুবির নন্দীর সাথে এবং ২০০৯ এর সেরা কন্ঠের শিল্পীরা আলাউদ্দিন আলীর সাথে এক মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেন।
এরপর শুরু হয় ৭ প্রতিযোগীর সুর ও সংগীতের মহাযুদ্ধ। একে একে ৪ প্রতিযোগীর পর যখন রাজশাহীর মেয়ে নদীর নাম ঘোষণা করা হয় তখন গোট স্টেডিয়াম তার জয়ধ্বনিতে মুখোরিত হয়ে উঠে। গান শুরুর পর পর স্কীনে ভেসে উঠে নদীকে এসএমএস করার চিত্র।
হু হু করে বাড়তে থাকে তার এসএমএস‘এর সংখ্যা। ঐ মুহুর্ত টুকুকে প্রতিটি প্রতিযোগী দর্শকদের সামনে তাদের উজাড় করে দিয়েছে। দর্শকরাও শিল্পীদের সুরের মূর্ছনায় ভেসে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রী থাকলেও সুরের উষ্ণতা সব কিছুকে ভুলিয়ে দেয়। বিচারকরাও প্রতিযোগীদের পারফরমেন্সে খুশি।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে চ্যানেল আই সেরাকন্ঠের-২০০৯ এর মুকুট বিজয়ী কোনালের নাম ঘোষণার সাথে সাথে মুহূর্তের মধ্যে গোটা স্টেডিয়ামের আকাশ আলোকিত হয়ে পড়ে রং-বেরংয়ের আতশবাজীর আলোয়।
এসময় বাঁধভাঙ্গা আনন্দে ফেটে পড়ে কোনাল। জড়িয়ে ধরে তার প্রতিযোগী বন্ধুদের। চ্যানেল আই সেরাকন্ঠের বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেশের কিংবদন্তী শিল্পী রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, সুবির নন্দী ও আলাউদ্দিন আলী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক শাইখ সিরাজ। মঞ্চের সামনে ছিলেন রাজশাহী সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও দুরুল হুদা।
বিজয়ীরা কে কি পেলেন
চ্যানেল আই সেরাকন্ঠের ২০০৯ এর মুকুট বিজয়ী কোনাল প্রথম পুরস্কর হিসাবে পেয়েছেন ৮ লাখ টাকা। ২য় রানার আপ চৈতি ৫ লাখ ও নদীকে দেয়া হয় ৩ লাখ টাকা।
১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীকে দেয়া হয় ঢাকা-ব্যাংকক বিমান টিকিট। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে মেয়র ৭ প্রতিযোগীকে দেন ২৫ হাজার টাকা।
সিটিসেলের পক্ষ থেকে প্রথম তিন জনকে তিনটি মোবাইল সেট। এছাড়া প্রথমস্থান অধিকার করায় কোনাল ভারতে এ,আর রহমানের মিউজিক্যাল ইনষ্টিটিউটে সঙ্গীত শিক্ষার একটা স্কলারসীপ পায়। দুই রানার আপ পাবেন সুবির নন্দীর কাছে এক বছরের দীক্ষা।
রাজশাহীর সপুরা সিল্ক মিলের স্বত্বাধিকারী সদর আলী ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীকে আজীবন দেশে লেখাপড়া করার সুযোগ, বাকীদের ১০ হাজার টাকার গিফট বক্স।
কাইসার মেমোরিয়াল হাসপাতালের সৌজন্যে ৭ বিজয়ীকে দিবে অজীবন ফ্রি কিচিৎসা সেবা। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
রুনার দাদার বাড়ী ও সাবিনার নানার বাড়ী রাজশাহী
দেশের দুই জীবন্ত কিংবদন্তী শিল্পী রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের নানা-দাদার বাড়ী কোথায় দেশের অধিকাংশ মানুষই জানতেন না।
তবে চ্যানেল আই সেরাকন্ঠের মেগা অনুষ্ঠানে তাদের সেই অজানা কথার বোমা ফাটান রাজশাহী স্টেডিয়ামের জনসমুদ্রে। রুনা লায়লা বলেন, শুধু নদী না।
তার সাথেও রাজশাহীর একাট সম্পর্ক রয়েছে। তার দাদার বাড়ী ছিলো রাজশাহীতে। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে এই অনুষ্ঠানের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীতে উড়ে আসেন।
শুক্রবার আবার চলে যাবেন বিদেশে। একই মঞ্চে সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তার নানার বাড়ীও রাজশাহী। এসময় দর্শকরা করতালি দিয়ে স্বাগত জানান তাদের।
মহিলারা অসহায়
চ্যানেল আই আয়োজিত সেরাকন্ঠ ২০০৯-এর চূড়ান্ত পর্ব দেখতে গিয়ে কিশোরী থেকে বৃদ্ধরা কেউ রেহাই পায়নি এক শ্রেণীর বখাটেদের কাছ থেকে। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পর্যন্ত ভিআইপি লাল কার্ডধারী মহিলা দর্শকদের লাঞ্ছিত করেছে এক শ্রেণীর যুবক।
জনতার চাপে মেয়েদের কাপড় চোপড় ধরে টান দিতে দ্বিধাবোধ করেনি। তাদের হাত থেকে রক্ষা পাযনি ৫০ বচরের মহিলারাও।
মাঠে ঢোকার পর এমনও দৃশ্য দেখতে পাওয়া গেছে যে, এক যুবক তার মাকে চাঁদর দিয়ে ঘিরে ধরেছে আর অসহায় মা তার কাপড় চোপড় ঠিক করছেন।
স্টেডিয়ামে ঢুকার আগ পর্যন্ত মেয়েরা অসহায় হয়ে পড়ে। ছেলে ও মেয়েদের লাইন পৃথক হওয়া সত্ত্বেও উৎশৃঙ্খল যুবকরা মেয়েদের শরীরের উপর হুমড়ী খেয়ে পড়ে।
কোন কোন পুলিশ দৃশ্যগুলো দেখে মজা পেয়েছে। আবার কেউ বিবেকের তাড়নায় এগিয়ে এসে অসহায় মেয়েদের হাত ধরে টেনে তুলে উদ্ধার করে।
এমপির ম্যানি ব্যাগ ও সাবেক মেয়রের মোবাইল চুরি
চ্যানেল আই আয়োজিত সেরা কন্ঠ ২০০৯-এর চূড়ান্ত পর্বের বর্ণিল এ অনুষ্ঠানে সাধারণ দর্শকদের সাথে পাল্লা দিয়ে মোবাইল চোররাও রাজশাহী জেলা স্টেডিয়ামে হাজির হয়।
তারা অনুষ্ঠান দেখতে আসা দর্শকদের পকেট থেকে শতাধিক মোবাইল বের করে নেয়। রাজশাহী সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশার মানিব্যাগ, সাবেক মেয়র দুরুল হুদার মোবাইল সেট এবং নতুন প্রভাতের স্টাফ রিপোর্টার পরিতোষ চৌধুরী আদিত্য‘র ভোডাফোন ক্যামেরা মোবাইলটিও রক্ষা পায়নি চোরদের হাত থেকে।
স্টেডিয়ামের ৩ নম্বর গেটে এক মোবাইল চোরকে ধরেও উত্তম-মধ্যম দেয় কয়েকজন যুবক। মাঠের মধ্যে অনেক ভিআইপি দর্শকের মোবাইল চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অনেকের চাঁদর, শীতের গরম পোশাকও খোয়া গেছে।
চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ ২০০৯-এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত
ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও র্যাব পুলিশের দফায় দফায় লাঠি চার্জ আহত অর্ধশত
ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও র্যাব-পুলিশের দফায় দফায় লাঠি চার্জ-এর মাধ্যমে রাজশাহীতে পর্দা নামলো বহুল আলোচিত চ্যানেল আই আয়োজিত সেরা কন্ঠ ২০০৯-এর চূড়ান্ত পর্বের বর্ণিল এ অনুষ্ঠানের।
লোকে লোকারণ্য জনসাধারণের বাঁধভাঙ্গা জনসুমদ্র সামাল দিতে পুলিশ, র্যাব, ডিবি পুলিশ ও আনসার বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়েছে।
পুরো নগরী যেন সেরাকন্ঠের জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। কার্ড পেয়েও স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে না পেরে বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন হাজার হাজার নারী-পুরুষ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এই অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য আগে থেকেই রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষের মাঝে যে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছিল তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সকাল থেকেই।
এই অনুষ্ঠান দেখার জন্য রাজশাহী নগরী ছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকা এবং বাইরের জেলাগুলো থেকেও হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটতে থাকে জেলা স্টেডিয়ামের সামনে।
পুলিশ ও র্যাবের লাঠি চার্জ আর ঠেলাঠেলি করে পালাতে গিয়ে অন্ততঃ অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষ আহত হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে স্টেডিয়ামের সবগুলো গেট খুলে দেয়ার কথা থাকলেও খোলা হয় বিকাল চারটার দিকে। এর প্রায় ৩ ঘন্টা আগ থেকেই দর্শকরা মাঠে প্রবেশ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে।
এক পর্যায়ে দর্শকদের। ধৈয্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে শুরু হয় চরম বিশৃংখলা। ঠেলাঠেলিতে মহিলা ও শিশুদের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়ে। অনেকেই সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গেট খুলার পর পরই শুরু হয় স্টেডিয়ামে প্রবেশ নিয়ে দর্শকদের হুড়োহুড়ি।
একসাথে অনেকে ঢুকতে গেলে পুলিশ মৃদু লাঠি চার্জ করে। এসময় নারী পুরুষসহ কয়েকজন শিশু আহত হয়। এরপর পুলিশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিরিয়াল মতোই কার্ডধরীরা মাঠের ভেতর প্রবেশ করাতে থাকে।
জেলা স্টেডিয়ামের মোট ৪টি গেট দিয়ে কার্ডধারীরা প্রবেশ করতে থাকে। ভিআইপিদের জন্য ১ নং গেট, সাধারণ ভিআইপিদের জন্য ২ ও ৩ নং গেট এবং সাধারণ লোকজন ৪ নং গেট দিয়ে মাঠের ভেতর প্রবেশ করতে থাকেন।
কিন্তু লাইনে দাঁড়ানো হাজার হাজার দর্শকের চাপে বিকেল ৫টার দিক থেকেই শুরু হয় আবারও বিশৃংখলা ও হৈ-হুল্লুড়। বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে ১ নং গেট থেকে ৩ নং গেট পর্যন্ত দাঁড়ানো লাইনে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ ভেতরে ঢুকার আগেই মাঠে জায়গা নেই বলে গেট আটকে দেয়া হয়ে।
এসময় লাইনে দাঁড়ানো ওই নারী-পুরষদের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হলে পুলিশ ও র্যাব লাঠি চার্জ করতে থাকে।
এতে ভয়ে ও আতঙ্কে পালাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ আহত হয়। এরপর থেকেই পরিস্থিতি আর স্বাভাবিক হয়ে উঠেনি।
কিছুক্ষণ পর আবারও গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে শতশত নারী-পুরুষ প্রবেশ কার্ড থাকুক আর নাই থাকুক ঠেলাঠেলি করে স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করতে থাকে।
২/১মিনিট গেট খোলা রেখে আবার পুলিশ র্যাব লাঠি চার্জ করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকে।
অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে র্যাব ও পুলিশ কয়েক দফা লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। মাঠের মধ্যে এবং গ্যালারীতে বেশ কয়েকবার চেয়ার ছুড়াছুড়ির ঘটনায় পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অনুষ্ঠান চলাকালীন পুরো সময়টা মাঠের অবস্থা ছিলো টালমাটাল। ৫ম প্রতিযোগী হিসাবে যখন রাজশাহীর নদী গান শেষ করেন তখন দেশের জীবন্ত কিংবদন্তী দুই কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লা দর্শকদের চাপে নদীকে নম্বর দিতে বিব্রত বোধ করেন।
এসময় মেয়র লিটন মঞ্চে উঠে দর্শকদের শান্ত করেন এবং বিচারকরা নদীকে যে নম্বর দিবেন তা মেনে নিতে অনুরোধ করেন।
শেষে দর্শকরা তা মেনেও নেয়। ৮টার সময় রং-বেরংঙ্গের আতশবাজীর মাধমে বর্ণিল এ অনুষ্ঠান শুরু ও রাত ১০টায় ফলাফল ঘোষণা করার মধ্যে দিয়ে এই প্রতিযোগিতার শেষ হয়।
বিনামূল্যের প্রবেশ কার্ড বাজারে বিক্রি
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চ্যানেল আই আয়োজিত সেরা কন্ঠ ২০০৯-এর চূড়ান্ত পর্ব দেখার জন্য প্রায় ২৪ হাজার প্রবেশকার্ড বিতরণ করে।
কিন্তু কার্ড নিয়ে যে পরিমাণ দর্শক স্টেডিয়ামের সামনে ভিড় জমিয়েছিল তাতে কার্ডধারীদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণের মতো হবে বলেই ধারণা করেছেন অনেকেই।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিনামূল্যের এই প্রবেশকার্ড বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নগরীতে বিক্রি হয়েছে ব্যাপক হারে।
এর মধ্যে কিছু ছিল আসল কার্ড এবং অধিকাংশ কার্ডই ছিল নকল। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল হুবহু কার্ড বানিয়ে ৩শ টাকা করে বিক্রি করতে থাকে।
আর শেষ সময়ে তা বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা করেও।
রেডটাইমস বিডি ডটকম/প্রতিনিধি/ওও/আরএমসি