E-mail this to a friend Printable version
 

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে হাফিজ


fচট্টগ্রাম, ফেব্র“য়ারি ৭ (রেডটাইমস বিডি ডটকম)
আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলার অন্যতম আসামি হাফিজুর রহমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত বিচারকের খাস কামরায় দেয়া দ্বিতীয় দফা জবানবন্দিতে হাফিজ অস্ত্র পাচারের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন রাঘববোয়ালের নাম প্রকাশ করলেও অস্ত্রবাহী জাহাজ সম্পর্ক কোন তথ্য দেয়নি বলে আদালতের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

৪৩ পৃষ্ঠার জবানবন্দিতে হাফিজ আদালতকে জানায়, কোন জাহাজে কওে এই অস্ত্র এসেছে তা সে জানে না এবং জাহাজটিও চিনে না।


আদালত সূত্র জানিয়েছে, ঢাকার সিআইডি সদও দপ্তওে ৩ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার রাত ৯টায় হাফিজকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

গতকাল শনিবার দুপুওে পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় তাকে সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। মহানগর হাকিম (এমএম) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের আদালতে হাফিজ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানে রাজি লে তাকে তার খাস কামরায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর থেকে আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ শুরু করে। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সিনিয়র এএসপি মোহাম্মদ আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ শুরু করে।

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সিনিয়র এএসপি মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জবানবন্দি গ্রহণ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত আদালতের ১ জন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জবানবন্দিতে হাফিজ ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচারের সঙ্গে জড়িত অনেকের নাম বলেছে। তবে তাদেও নাম প্রকাশ করতে চাননি ওই কর্মকর্তা।


চাঞ্চল্যকর ও স্মরণকালের বৃহত্তম এ অস্ত্র চোরাচালানোর ঘটনায় কোন জাহাজে করে অস্ত্রগুলো মধ্যসাগওে এনে ট্রলারে খালাস করা হয়েছিল।
সেখানে কারা দায়িত্ব পালন করেছিল, নেপথ্য থেকে কারা পুরো বিষয়টি মনিটর করেছিল তাদের পরিচয় জানতে গত বৃহস্পতিবার হাফিজকে তৃতীয় দফা তিনদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও জন্য কারাগার থেকে সিআইডি সদও দপ্তরে নিয়ে যাওয়া যায়।


প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল ভোওে চট্টগ্রামের সিইউফল-এর সংরক্ষিত জেটিঘাট দিয়ে ট্রলার থেকে খালাসের সময় ১০ ট্রাক অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র আটক করে পুলিশ।


এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহাদুর রহমান বাদি হয়ে অস্ত্র ও চোরাচালান আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।


তদন্ত শেষে আদালতে দুই মামলায় সর্বমোট ৪৪ জনকে আসামি ও ১১২ জনকে সাক্ষী করা হলেও ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি অধিকতর তদন্তেও আদেশ দেয়া হয়।

রেডটাইমস বিডি ডটকম/এসএম/এমএইউ/ওও




WARNING: Any unauthorised use or reproduction of redtimesbd.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

 
 
 
Bookmark with:  
    GoogleFacebook  GoogleGoogle    
 
More News
 
Related News
No more Related News Found
 
 
 
 
কৃষি ও কৃষকের গল্প
বিনোদন উপাখ্যান
 
 
The REDTIMESBD is not responsible for the content of external internet sites.
 
News Sources Contact Us
About redtimesbd.com Terms of Use  
Advertise With Us Privacy & Cookies  
Sitemap Developed By Mamunur Hossen