আওয়অমীলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ:বোমা ও গুলি বর্ষণ
|
|
চুয়াডাঙ্গা, ৮ ফেব্র“য়ারি, রেডটাইমস বিডি ডটকম: রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের খা পাড়ায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের দু’টি গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশসহ প্রায় ১৬ জন আহত হয়েছে।
প্রায় ২ ঘন্টা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মহিলারাও ব্যাপকভাবে ইটপাটকেল ছোড়ে।
সংঘর্ষে বোমা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। এ সময় পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।
সংঘর্ষের সময় একপক্ষ অপরপক্ষের কমপক্ষে ৫টি বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
সংঘর্ষে আহতদের দামুড়হুদার চিৎলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভার্তি করা হয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের খাঁ পাড়ার জনৈক ইসাহাক বর্তমান ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা।
অপরদিকে একই পাড়ার জনৈক আবু তালেব সাবেক ইউপি মেম্বার। তিনিও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা।
এদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ রয়েছে। মাঝে মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটতো। রবিবার রাতে সাবেক ইউপি মেম্বার তালেবের ভাই নেশাকরে এলাকায় গালিগালাজ করাকে কেন্দ্র করে বর্তমান ইউপি মেম্বার ইসাহাকের লোকজনের সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষের খবরে দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে সংঘর্ষ নিয়স্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করলে সংঘর্ষ ব্যাপকতায় রূপনেয়।
এ সময় সংঘর্ষে ৬টি বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুনরসহ উভয় পক্ষের সিরাজ, সবুর, খোকন ও ওয়ারেসের উপর হামলা চালানো হয়। এলাকাবাসী জানিয়েছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ছোড়ে।
রাতের অন্ধকারে সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বোমার বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে এলকা কেপে উঠে। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান, এসআই সোয়েব, এসআই ইমাম হোসেন, কনস্টেবল সাহাদত, সবুর আহত হয়।
উভয়পক্ষের আহতদের মধ্যে শহিদুল, আলতাফ, নুরু ও সিরাজকে দামুড়হুদার চিৎলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং ওসমান, মুক্তাদির ও ফয়েজকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভার্তি করা হয়েছে।
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঐ রাতেই র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এসময় পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০জনকে গ্রেফতার করেছে। সংঘর্ষে একপক্ষে অপর পক্ষকে দায়ি করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বর্তমানে ঐ খাঁ পাড়ায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গ্রেফতার এড়াতে উভয়পক্ষের লোকজন গা-ঢাকা দিয়েছে। রেডটাইমস বিডি ডটকম/ প্রতিনিধি/ ই এইচ আওয়অমীলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ:বোমা ও গুলি বর্ষণ
চুয়াডাঙ্গা, ৮ ফেব্র“য়ারি, রেডটাইমস বিডি ডটকম: রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের খা পাড়ায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের দু’টি গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশসহ প্রায় ১৬ জন আহত হয়েছে।
প্রায় ২ ঘন্টা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মহিলারাও ব্যাপকভাবে ইটপাটকেল ছোড়ে।
সংঘর্ষে বোমা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। এ সময় পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।
সংঘর্ষের সময় একপক্ষ অপরপক্ষের কমপক্ষে ৫টি বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
সংঘর্ষে আহতদের দামুড়হুদার চিৎলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভার্তি করা হয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের খাঁ পাড়ার জনৈক ইসাহাক বর্তমান ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা।
অপরদিকে একই পাড়ার জনৈক আবু তালেব সাবেক ইউপি মেম্বার। তিনিও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা।
এদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ রয়েছে। মাঝে মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটতো। রবিবার রাতে সাবেক ইউপি মেম্বার তালেবের ভাই নেশাকরে এলাকায় গালিগালাজ করাকে কেন্দ্র করে বর্তমান ইউপি মেম্বার ইসাহাকের লোকজনের সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষের খবরে দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে সংঘর্ষ নিয়স্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করলে সংঘর্ষ ব্যাপকতায় রূপনেয়।
এ সময় সংঘর্ষে ৬টি বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুনরসহ উভয় পক্ষের সিরাজ, সবুর, খোকন ও ওয়ারেসের উপর হামলা চালানো হয়। এলাকাবাসী জানিয়েছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ছোড়ে।
রাতের অন্ধকারে সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বোমার বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে এলকা কেপে উঠে। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান, এসআই সোয়েব, এসআই ইমাম হোসেন, কনস্টেবল সাহাদত, সবুর আহত হয়।
উভয়পক্ষের আহতদের মধ্যে শহিদুল, আলতাফ, নুরু ও সিরাজকে দামুড়হুদার চিৎলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং ওসমান, মুক্তাদির ও ফয়েজকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভার্তি করা হয়েছে।
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঐ রাতেই র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এসময় পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০জনকে গ্রেফতার করেছে। সংঘর্ষে একপক্ষে অপর পক্ষকে দায়ি করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বর্তমানে ঐ খাঁ পাড়ায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গ্রেফতার এড়াতে উভয়পক্ষের লোকজন গা-ঢাকা দিয়েছে। রেডটাইমস বিডি ডটকম/ প্রতিনিধি/ ই এইচ
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of redtimesbd.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action. |
| |
| |
| |
|
|
|
| |
| Related News |
| No more Related News Found |
|
|
| |
|
|
|
|
| |
| |
|
|
|